- হুজুরেরা লুকিয়ে ঠিকই পর্ন দেখে

- হুজুররা বউ পেটায়

- মাদ্রাসার ছেলেরা সমকামী

- আরব শেখরা রক্ষিতা পোষে

- সৌদি আরবে যৌন হয়রানি নথিভুক্ত হয়না

ইত্যাদি ইত্যাদি। ছোটকাল থেকে শুনে আসা সেক্যুলারদের কিছু (অ)পবিত্র বাণী। আগে মনে হত হয়তো কিছু তথ্যের বেসিসে বলে, পরে নিজে হুজুর হয়ে দেখি সেক্যুলারদের জীবন হুজুরদের থেকে পুরোই বিচ্ছিন্ন। তাহলে হুজুর নিয়ে এত কথা তাদের বলতে হয় কেন? আর কীভাবেই বা বলে?

এরা বলে হতাশা থেকে, নিজেকে প্রবোধ দিতে। আল্লাহ্‌ সবাইকে সবকিছু বোঝার ক্ষমতা দেন নি। দিলে উলুল আলবাব নামে কতিপয় বান্দাকে আলাদা করতেন না। তাই জাহেল সেক্যুলাররা সবাইকে নিজেদের মত ভাবে। এরা কোনদিন চিন্তাও করতে পারে না কীভাবে একটা যুবক মেয়েদের দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারে, এমনকি ক্লাসমেটদের দিকেও। একটা অবিবাহিত যুবক হারাম থেকে বাঁচতে সিয়াম রাখতে পারে, এদের কাছে এ এক ভিনগ্রহের তথ্য। তাই এরা সবাইকে নিজেদের মত ভাবে। যেহেতু হুজুররা পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বলে কাজেই সেক্যুলাররা কল্পনা করে নেয় গোপনে ঠিকই হুজুররাও পর্ন দেখে। পর্ন ছাড়াও যে জীবন হয় তা যে এদের ধারনায় নেই।

এরা দেখে নিজেদের ম্যারিড লাইফ টেকে না। দুদিন পরপর বিবাহবিচ্ছেদ। অন্যদিকে হুজুররা বছরের পর বছর সংসার করে যায়। কোন কোন হুজুর দু-তিনটা বিয়েও করে; হুজুরের বউ আবার তা মেনেও নেয়। তখন সেক্যুলাররা সিদ্ধান্তে আসে যে হুজুররা নিশ্চয়ই বউকে পিটিয়ে ঠাণ্ডা রাখে, ফলে বউ বাধ্য হয়ে সংসার করে।

সেক্যুলাররা দেখে যে মাদ্রাসার ছেলেরা মেয়েদের সাথে লটরপটর করে না। বিয়ের আগে এরা কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে না, রিলেশান ত দূরের কথা। তখন সেক্যুলাররা সিদ্ধান্তে এসে পড়ে যে নিশ্চয়ই মাদ্রাসা ছাত্ররা নিজেদের মধ্যেই যৌনভোগ করে, কাজেই মাদ্রাসা ছাত্ররা নিশ্চয়ই সমকামী!

এরা দেখে যে ধর্ষণের রেটে তাদের প্রভুরাষ্ট্রগুলো শীর্ষে, আর মুসলিমপ্রধান দেশগুলো সবার নিচে। তখন এরা সিদ্ধান্তে চলে আসে মুসলিম দেশগুলোতে সব অপকর্মই ঘটে, কেবল নথিভুক্ত না হওয়ায় লিস্টে নাম আসে না।

এমন না যে হুজুররা কোন পাপ করে না। কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হল অভিযোগগুলো করছে তারা, যারা নিজেদের জীবনটা অবাধ যৌনতার সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে, এদের কেউ হয়তো পর্নসাইটের মালিক, কেউ চটিসাইট চালায়, কেউ অন্তত গ্রাহক। এরাই সমকামিতাকে অধিকার মনে করে, এরাই কুকুর বেড়ালের মত যত্রতত্র যৌনক্রিয়াকে প্রমোট করে, এরাই আবার মেয়েদের ওপর ভায়োলেন্স বন্ধের প্ল্যাকার্ড ধরে। দিনশেষে এরা নিজেদের ওপর একরাশ ঘৃণা নিয়ে শুতে যায় এবং হুজুরদের গাল দিয়ে সে ঘৃণা লাঘব করার চেষ্টা করে।

দ্যা ডগস বার্ক, বাট দ্যা ক্যারাভান গৌজ অন।