পদ্যখানা কোন কবি লিখেছেন, জানিনা। যে উদ্দেশ্যেই লিখে থাকুন, আমি কথাটার সাথে কয়েকশো ভাগ একমত।

যদি মসজিদকে মন্দিরের কাতারে নামিয়ে আনা হয়, তবে সেই মসজিদের তো আসলেই জাগতিক কোনো ভূমিকা নেই। মন্দির পুরোদস্তুর একটা আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠান, জাগতিক ভূমিকা শূন্য বা ঊনশূন্য। মান্নত, পার্থিব উদ্দেশ্য পূরণের জন্য মনের সান্তনা, পার্বণের আনুষ্ঠানিকতা। এখন মসজিদও তা-ই। সংখ্যাগুরু মুসলিম সপ্তাহান্তে হাজিরা দেয়। মুষ্টিমেয় মুসলিম ৩ ওয়াক্ত। এক চিমটি মুসলিম ৫ ওয়াক্ত আধ্যাত্মিকতাহীন উঠবস করে আসে। হাতেগোনা কিছু মানুষ আধ্যাত্মিকতার খোঁজ পায় এখানে এসে। একটাই জাগতিক ভূমিকা হতে পারত, জুমুআর পূর্বে আধঘণ্টা জনসংযোগ। ওটুকুও সময় কই, সবাই আসে আরবি খুতবার মাঝে।

PDF Version: https://bibijaan.com/id/6382