আব্বু কোনো একসময় তাঁর বড় ছেলেকে রুটিন-বহির্ভূত ঘুমে বুঁদ হতে দেখেছিলেন। ছেলের ডায়েরিতে আব্বুর প্রবেশাধিকার ছিল। কয়েকদিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে ডায়েরিটা খুলে বেশ যত্ন করে কিছু কথা লিখেন। ডায়েরির এই পাতাটা শুরু হয়েছিল দুটো পঙক্তি দিয়ে। বুকে এসে শেলের মতো বিঁধে যাওয়া সেই পঙক্তি দুটো বাঙলায়ণ করলে সম্ভবত এই দাঁড়ায়:

‘আকাশের নিচে কদিন না হয় অল্প ঘুমাও, জাগাও প্রহর
মাটির নিচে তো সাধের ঘুমেই পারবে কাটাতে হাজার বছর!’